[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা
প্রকাশ: 17 October, 2018, 5:11 am |
অনলাইন সংস্করণ

মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষের দিকে ঝুঁকছেন স্থানীয় কৃষকরা। শুরুতে এর আবাদ নিয়ে কিছুটা হতাশা থাকলেও আশাতীত ফলনে সে হতাশা কেটে গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এলাকার বেশিরভাগ অনাবাদি জমিতে লিচু, কাঁঠাল ও পেয়ারার পাশাপাশি এখন মাল্টার আবাদ করছেন কৃষকরা। কম পরিশ্রমে অধিক লাভ হওয়ায় এ চাষে দিন দিন কৃষকের সংখ্যা বাড়ছে । এরই ধারাবাহিকতায় কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সহযোগিতায় ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বারি-১ মাল্টা প্রায় ৪শ’ একর জমিতে আবাদ শুরু হয়েছে। পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গত দু’বছর ধরে মাল্টার আবাদ করছেন কৃষকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ৫টি ইউপির আখাউড়া উত্তরের আজমপুর, আনোয়ারপুর, কল্যাণপুর, দক্ষিণের হিরাপুর, বাউতলা, তারাগনের কালিনগর, মোগড়া, মনিয়ন্দ ও ধরখার ইউপির বিভিন্ন এলাকায় চলছে মাল্টা চাষ। প্রতিটি বাগানে এখন মাল্টার ছড়াছড়ি।

উপজেলার দক্ষিণ ইউপির কালিনগর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগের প্রণোদনায় গত দু’বছর আগে প্রথম বারের মতো বিনামূল্যে মাল্টার চারা এবং অন্যান্য উপকরণ পেয়েছেন। পরে তারা বাড়ির পাশে পতিত জমিতে মাল্টা চারা লাগান। শুরুতে নতুন চাষাবাদ হিসাবে অপরিচিত হওয়ায় সংশয়ে ছিলেন। কিন্তু দু’বছরের ব্যবধানে ফলন হওয়ায় সে সংশয় কেটে গেছে।

মো. সালাম চৌধুরী বলেন, বারি-১ জাতের মাল্টা বাড়ির পাশে পতিত জমিতে চারা লাগানোর পর বেশ কয়েকটি গাছে মাল্টা ধরেছে। এক একটিতে ২০-২৫ টি মাল্টা ধরেছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে মাল্টাগুলো পাকতে শুরু করবে।

উপজেলার উত্তর ইউপির রামধননগরের মো. আফজাল জানান, আমার বেশ কয়েকটি লিচু ও কাঁঠাল বাগান রয়েছে। এখানে লিচু ও কাঁঠালের চেয়ে মাল্টার ভাল ফলন হওয়ায় এখন বাগান করার চিন্তা করছেন।

আখাউড়া দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান মো. জালাল হোসেন বলেন, আমাদের এলাকায় আগে মাল্টা চাষাবাদ তেমন বেশি পরিচিতি ছিল না। প্রথম বারের মতো একবারেই নতুন চাষাবাদ শুরু হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় প্রতিটি মাল্টা বাগানে দৃষ্টি নন্দন মাল্টা ধরেছে। ফলন ভাল হওয়ায় মাল্টা আবাদ ছড়িয়ে পড়ছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। লিচু,কাঁঠাল ও পেয়ারার পর এবার বানিজ্যিক ভাবে মাল্টা চাষের নিজেদের ভাগ্য বদল করার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জুয়েল রানা বলেন, বিনা মূল্যে সরকার গত দু’বছর আগে সাইট্রাস ভিলেজ প্রজেক্ট এর আওতায় কৃষকদের মাঝে বারি-১ জাতের মাল্টার চারাসহ উপকরণ বিতরণ করে। প্রথমবারের মতো এ চাষ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে কিছুটা সংশয় তৈরী হলে ও ফলন ভাল হওয়ায় তা দুর হয়ে যায় ।

তিনি আরো বলেন, এখানকার মাটি মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপকারী হওয়ায় ফলন ভাল করতে কৃষকদেরকে এ চাষে সার্বিক ভাবে পরামর্শ দেয়া হয়। মাল্টার আবাদ আগামী দিনে অনেক বাড়বে।

Spread the love




সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ