[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

পটুয়াখালীতে এক মুক্তিযোদ্ধার আকুতি
প্রকাশ: 19 April, 2019, 7:28 am |
অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীতে এক মুক্তিযোদ্ধার আকুতি


পটুয়াখালী প্রতিনিধি\
চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া বিরোধপূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন দখলীয় জমিতে মসজিদ নির্মানের নামকরে সাইনবোর্ড টানানোর প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আঃ আজিজ মল্লিক।
১৮ এপ্রিল বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিধখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আঃ আজিজ মল্লিক। তিনি লিখিত প্রতিবাদ বক্তব্যে বলেন, আমি কলেজ পাঠ শেষ করে ১৯৬৬ সালে সেনাবাহিনীতে যোগদান করে পশ্চিম পাকিস্তানে প্রশিক্ষন নেই। যুদ্ধ অনিবার্যভেবে কৌশলে ১৯৭১ সনের ২২ ফেব্রæয়ারী ঢাকায় অবতরন করি। ২৬ মার্চের পরে শতাধিকজনকে সুবিধখালী র.ই. মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রশিক্ষন দেই। পাকবাহিনী পটুয়াখালী দখলে নিলে গা ঢাকা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করি। দেশ স্বাধীনের পরে অনেক কষ্টের মাঝে একটি ভাল দোকানের জন্য পূর্ব সুবিধখালী মৌজার ২২৮ নং দাগে জমি ক্রয় করি। ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মান করলে ২৭/৯১ বন্টন মোকদ্দমা চলাকালিন অবস্থায় র.ই. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের দ্বারা ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে। বন্টন মামলায় প্রথমবার রায়ে ২২.৫০ শতাংশ জমি প্রাপ্ত হয়ে দোকান ঘর ওয়াল দিয়ে নির্মান করি এবং পিছনে ৩ তলা একটি ভবন নির্মানে গ্রেড ভিমের উপড়ে ৬টি কলম নির্মিত হলে তৎসময়ের উপজেলা চেয়ারম্যান বাধা দিলে কাজ বন্ধ রাখি। স্কুল কর্তৃপক্ষ আপিল করলে পুনঃবিচারের জন্য মামলাটি নি¤œ আদালতে প্রেরন করে এবং দ্বিতীয়বার রায়ে ২৪.৫০ শতাংশ জমি প্রাপ্ত হইলে স্কুল কর্তৃপক্ষ সাথে সাথে ৪টি আপিল মোকদ্দমা দায়ের করে । স্কুল কর্তৃপক্ষ স্কুলের প্রাঙ্গনের বাহিরে নামমাত্র দলিল নিয়ে স্কুলের প্রাঙ্গনে থাকা টিনসেড মসজিদটি ১৯৬৯ সালে রেকর্ডীয় মালিক মন্নান খানের ঘর ভেঙ্গে স্থাপনা করে। পরবর্তীতে কুয়েতী সাহায্যে একটি বড় পাকা মসজিদটি নির্মান করে। অদ্যবধি স্কুল বা মসজিদ কর্তৃপক্ষ ০১ শতাংশ জমির রায় পায়নি এবং ভবিষ্যতেও পাবে না। কারন স্কুলের পূর্বের দলিল গ্রহীতারাই জমি পায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা আাজিজ মল্লিক বলেন, মডেল মসজিদ নির্মানে ৪০ শতাংশ জমির প্রয়োজন হবে। স্থানীয় প্রশাসন ২২৮ দাগে মডেল মসজিদ নির্মানের পায়তারা করছে। তিনি বলেন, ২২৮ নং দাগে ২.৮৮ একর জমি হতে দুই দফা একোয়ার বাদে কাগজে ৫৬ শতাংশ অবশিস্ট থাকলেও সরজমিনে জমি আছে ৪২ শতাংশ। যাতে মসজিদ এবং ১৮টি দোকান বিদ্যমান আছে। দরিদ্র দোকানদের স্বার্থ না দেখে ধর্মের দোহাই দিয়ে দেড় হাজার ছাত্রের শক্তিবলে ঘর ভাঙ্গিয়া জায়গা পরিষ্কার করে মডেল মসজিদ নির্মান করা হইলে সবার চেয়ে আমার বেশী ক্ষতি হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ মল্লিক। ওই জায়গায় জোর করে মসজিদ নির্মান করলে আমি মুক্তিযোদ্ধা, আমার ০১ শতাংশ জমিও থাকবে না, আমি পথের ভিখারী হয়ে যাবো। সংবাদ সম্মেলনে দুঃখ করে আঃ আজিজ মল্লিক বলেন আমার প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের জমি জবর দখলে নিয়ে মডেল মসজিদ নির্মানের নামে আমাকে সর্বশান্ত করতে চাইছে যে প্রশাসন, ও সমাজ, সেই প্রশাসন ও সমাজ কর্তৃক আমার মৃত্যুর পরে আমাকে রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করবে, তা আমি চাই না। মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ মল্লিক সরকারের কাছে কান্নাজড়িত কন্ঠে তার এবং তার পরিবর্গের সম্মতিক্রমে নছিহত করে অনুরোধ করেন আমার মৃত্যুর পরে আমাকে যেন রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা না হয়।
মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ মল্লিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ত্রয়ের কাছেও এ দাবীসহ উক্ত অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান তিনি ।

Spread the love




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ