[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

নোবেল পুরস্কারের সাত সতেরো
প্রকাশ: 3 December, 2018, 12:25 pm |
অনলাইন সংস্করণ

নোবেল পুরস্কারের সাত সতেরো

নোবেল পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।  ১৯০১ সালে প্রবর্তিত হয় এই পুরস্কার। বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সফলতা ও অনন্যসাধারণ গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণে দৃষ্টান্তমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ওই বছর থেকে ধারাবাহিকভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।  এই পুরস্কারের খুঁটিনাটি নিয়ে সাতকাহনের আজকের আয়োজনটি সাজিয়েছেন মিরাজ রহমান। লিখেছেন তপু রায়হান ও গাজী শরীফ মাহমুদ

শুরুর কথা

নোবেল পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম সেরা মর্যাদাসম্পন্ন পুরস্কার। মানবকল্যাণের বিভিন্ন খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছরই কয়েকটি খাতে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। শতবছরের বেশি সময় আগে থেকে চালু এই পুরস্কার প্রচলনের ইতিহাস বেশ মজার। যার নামে ও যার অর্থে চালু হয় এই পুরস্কার, সেই আলফ্রেড নোবেলের অধিকাংশ আবিষ্কারই কিন্তু মানুষের ঘুম হারাম করে দিয়েছিল। বা বলা ভালো আজো দিচ্ছে। তার বেশিরভাগ আবিষ্কারই ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ডিনামাইট। আবিষ্কারের আগে নোবেলের আশা ছিল মানুষের কল্যাণের কাজে ব্যবহূত হবে এটি। কিন্তু কয়েকদিন পরেই দেখলেন উল্টো বিষয়। আলফ্রেডের বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর ফরাসি এক পত্রিকা তাকে নোবেল মনে করে খবর ছাপে।

সেই খবরে তারা আলফ্রেড নোবেলকে ‘মার্চেন্ট অব ডেথ বা মৃত্যুর সওদাগর’ হিসেবে উল্লেখ করে। পত্রিকার এই লেখাটি আলফ্রেড নোবেল নিজে পড়েন। পড়া শেষে তিনি বেশ কষ্ট পান। তিনি উপলব্ধি করলেন, নিজেকে একজন ‘মৃত্যু ব্যবসায়ী’ হিসেবে মরতে দিতে পারেন না। মানুষের মনে সম্মানজনক ইতিবাচক পরিচয় রেখেই মরতে হবে। এই ভাবনা থেকে ১৮৯৫ সালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন তার উপার্জিত অর্থ মানবকল্যাণে ব্যয় করবেন। সে বছরই, অর্থাৎ ১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল তার মোট উপার্জনের ৯৪ শতাংশ দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করে যান। এই বিপুল অর্থ দিয়েই ১৯০১ সাল থেকে শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল প্রদান। নোবেল পুরস্কার যারা অর্জন করেন, তাদের প্রতি বিশ্ববাসীর সম্মান ও শ্রদ্ধা হয়তো বৃদ্ধি পায়; কিন্তু তার চাইতে বহুগুণ বাড়ে নোবেল পুরস্কারের সম্মান।

 

নোবেল উইল

উইলের বিবরণ : আমি, নিম্নস্বাক্ষরকারী, আলফ্রেড বার্নার্ড নোবেল, এই মর্মে সজ্ঞানে স্বেচ্ছায় ঘোষণা করছি যে, আমার মৃত্যুর পর আমার অর্জিত সম্পদের বিলি-বণ্টন সম্পর্কে এখানে বর্ণিত বিবরণই হবে আমার অন্তিম ইচ্ছা… (এভাবে শুরুর পর উইলের কিছু অংশে তিনি নিজের পারিবারিক লোকজন ও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সম্পদের কিছু অংশ দেওয়ার বিবরণ দিয়েছেন। এর পরেই তিনি তার এই ঐতিহাসিক উইলের মূল অংশ লিখতে শুরু করেন। সেই অংশটির বাংলা করলে যা দাঁড়ায়, সেটুকুই এখানে তুলে ধরা হলো :

বাকি সম্পদের বিলি-বণ্টন : আমার মূলধন, যা আমার নির্বাহী কর্মকর্তারা নিরাপদে বিনিয়োগ করেছেন, তা দিয়ে একটি তহবিল গঠন করা হবে। এই তহবিল থেকে বার্ষিক যে সুদ পাওয়া যাবে, তা প্রতি বছর পুরস্কার হিসেবে ভাগ করে দেওয়া হবে তাদের, যারা আগের বছর মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ অবদান রেখেছেন। বার্ষিক অর্জিত মোট সুদকে সমান পাঁচ ভাগে ভাগ করে এক ভাগ দেওয়া হবে সেই ব্যক্তিকে, যিনি পদার্থবিজ্ঞানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করবেন; এক ভাগ দেওয়া হবে সেই ব্যক্তিকে, যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক আবিষ্কার বা উন্নয়ন করবেন; এক ভাগ দেওয়া হবে সেই ব্যক্তিকে, যিনি শারীরতত্ত্ব কিংবা চিকিৎসাবিজ্ঞানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করবেন; এক ভাগ দেওয়া হবে সেই ব্যক্তিকে, যিনি কোনো আদর্শ স্থাপনের লক্ষ্যে সাহিত্যে সবচেয়ে ভালো কাজ করবেন; এবং এক ভাগ দেওয়া হবে সেই ব্যক্তিকে, যিনি দুটি দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে, সেনাবাহিনীর বিলুপ্তি বা সৈন্যসংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে, শান্তি সম্মেলনের আয়োজন ও প্রচারের লক্ষ্যে সবচেয়ে বেশি কিংবা সবচেয়ে ভালো কাজ করবেন।

পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পুরস্কার দেবে সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস; শারীরতত্ত্ব কিংবা চিকিৎসাবিজ্ঞানের পুরস্কার দেবে স্টকহোমের ক্যারোলিন ইনস্টিটিউট; সাহিত্যের পুরস্কার দেবে একাডেমি ইন স্টকহোম; এবং শান্তি পুরস্কার দেবে নরওয়ের পার্লামেন্ট (স্টরটিং) নিয়োজিত পাঁচ সদস্যের এক কমিটি। এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জাতীয়তার প্রতিবন্ধকতা থাকবে না; স্ক্যানডিনেভিয়ান হোক বা না হোক, যোগ্যতম ব্যক্তিই এই পুরস্কার পাবেন- এটাই আমার ইচ্ছা। আমার উইল কার্যকর করার জন্য আমি দুজন নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ করছি: মিস্টার র্যাগনার শোলম্যান, ঠিকানা : বফর্স, ভার্মল্যান্ড এবং মিস্টার রুডল্ফ লিজেকুইস্ট, ঠিকানা : ৩১ মাল্মস্কিলন্যাডসগ্যাটান, স্টকহোম ও বেংগটস্ফোরে উড্ডেভেলার কাছে। এই কাজের জন্য তারা যে কষ্ট করবেন, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে মিস্টার র্যাগনার শোলম্যানকে এক লাখ ক্রাউন দিচ্ছি; কারণ তাকেই এ কাজে বেশি সময় দিতে হবে এবং মিস্টার রুডলফ লিজেকুইস্টকে ৫০ হাজার ক্রাউন দিচ্ছি। বর্তমানে আমার সম্পদের মধ্যে কিছু অংশ আছে প্যারিস ও সেন্ট রেমোতে রিয়েল এস্টেট হিসেবে; আর আমানত হিসেবে জমা আছে : ইউনিয়ন ব্যাংক অব স্টকল্যান্ডের গ্লাসগো ও লন্ডন শাখায়; প্যারিসের কম্পটয়ের ন্যাশনাল ডি-স্কম্পটি এবং আলফেন মেশিন অ্যান্ড কোম্পানিতে; প্যারিসের স্টকব্রোকার এমভি পিটার অব ব্যাংক ট্রান্স-আটলান্টিকে; বার্লিনের ডিরেকশন ডার ডিসকনটো গেশেলস্ক্রাফ্ট এবং জোসেফ গোল্ডস্মিডট অ্যান্ড কোম্পানিতে; রাশিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকে এবং পিটার্সবুর্গে মিস্টার ইমানুয়েল নোবেলের কাছে; গুটেনবার্গ ও স্টকহোমে স্ক্যানডিনাভিস্কা ক্রেডিট আক্টিয়েবোলাগেটে; এবং প্যারিসের ৫৯ নম্বর মালাকফ অ্যাভিনিউতে রক্ষিত আমার স্ট্রং-বক্সে। এগুলো ছাড়াও আছে প্যাটেন্ট, প্যাটেন্ট ফি বা রয়্যালটি থেকে আয়। আমার নির্বাহীরা এই হিসাবের পূর্ণ বিবরণ আমার দলিলপত্র থেকে খুঁজে বের করবেন। আমার এই উইলটিই হলো একমাত্র বৈধ উইল। আমার মৃত্যুর পর যদি এর আগে করা কোনো উইল খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে সেগুলো বৈধ বলে গণ্য হবে না। সবশেষে আমার বিশেষ ইচ্ছা এই যে, আমার মৃত্যুর পর কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আমার শিরা কেটে দেখবেন এবং আমার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন। তারপর আমার দেহ কোনো শ্মশানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হবে।

 

স্বাক্ষর

প্যারিস, ২৭ নভেম্বর ১৮৯৫

আলফ্রেড বার্নার্ড নোবেল

সাক্ষী ছিলেন- সিগার্ড এরেনবোর্গ, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট, আর ডব্লিউ স্ট্রেলেনার্ট, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, থস নরডেনফেল্ট, কনস্ট্রাক্টর,

লিওনার্ড হাওয়াস, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার

যারা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দামি এবং সম্মানিত পুরস্কার হিসেবে বিবেচনা করা হয় নোবেল পুরস্কারকেই। এটিই নিজের কাজের জন্য পাওয়া সবচেয়ে বড় সম্মান হিসেবে বিবেচিত। তবে যুগ যুগ ধরে স্রোতের বিপরীতেও থেকেছে মানুষ। আর তাই তো দেখা মিলল নোবেল প্রত্যাখ্যানকারী কয়েকজনের। নোবেলের মতো পুরস্কারও তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

জ্যাঁ পল সার্ত্রে : ফরাসি লেখক জ্যাঁ পল সার্ত্রে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৬৪ সালে। তার বহুমুখী প্রতিভার জন্য সাহিত্যে তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

বরিস পাস্টারনাক : সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহিত্যিক বরিস পাস্টারনাককে ১৯৫৮ সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

লি দো থো : ভিয়েতনামের লি দো থোকে ১৯৭৩ সালে শান্তির ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য নোবেল পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

গেরহার্ড ডোমাখ : সালফা শ্রেণিভুক্ত ওষুধ আবিষ্কারের জন্য গেরহার্ড ডোমাখকে ১৯৩৯ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এডলফ ফ্রেডরিক জোহান বাটেনান্ড : ১৯৩৮ সালের মতোই পরবর্তী বছর ১৯৩৯ সালে রসায়নশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল এক জার্মান বিজ্ঞানীকে।

রিচার্ড কান : বিশেষ অবদানের জন্য রসায়নশাস্ত্রে জার্মান বিজ্ঞানী রিচার্ড কান নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ১৯৩৮ সালে।

বব ডিলান : মার্কিন গীতিকার ও গায়ক বব ডিলানের ২০১৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার সংবাদ পেয়ে যতটা চমকপ্রদ হয়েছেন, তার নিজ দেশের মানুষ ততটাই চমকপ্রদ হয়েছেন।

সর্বকনিষ্ঠ নোবেল জয়ী মালালা ইউসুফ জাই

পাকিস্তানি শিক্ষা আন্দোলনকর্মী মালালা সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকা অঞ্চলে শিক্ষা এবং নারী অধিকারের ওপর আন্দোলনের জন্য তিনি পরিচিত।

২০১৮ সালের নোবেল পেলেন যারা

চিকিৎসায়

চিকিৎসাশাস্ত্রে গবেষণার জন্য এবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন গবেষক জেমস পি. অ্যালিসন ও জাপানের গবেষক তাসুকু হোনজো। ক্যানসার চিকিৎসায় নেতিবাচক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন থেরাপি আবিষ্কার করায় এই পুরস্কার জিতেছেন তারা।

 

পদার্থবিজ্ঞানে

লেজারের প্রায়োগিক ব্যবহারের গবেষণায় যুগান্তকারী উদ্ভাবনের জন্য চলতি বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও কানাডার তিন বিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার আশকিন, ফ্রান্সের জেরার্ড ম্যুরো ও কানাডার ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড নোবেল পুরস্কারের ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার ভাগ করে নেবেন। এর মধ্যে আশকিন একাই পাবেন অর্ধেক।

রসায়নে

বিবর্তনের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রোটিন উন্নয়নের সফল গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর রসায়নশাস্ত্রে নোবেল জিতেছেন এক নারীসহ তিন বিজ্ঞানী। মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সেস এইচ আরনল্ড ও জর্জ পি স্মিথ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার গ্রেগরি পি উইন্টার আসলে প্রাণীদেহের দুটি প্রোটিনের উন্নয়নের দিশা দেখিয়েছেন। যার মাধ্যমে রসায়নঘটিত সমস্যা সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

 

শান্তিতে

এ বছর দুজনকে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নারী। এই নারীর জীবন ইতিহাস এতটাই মর্মন্তুদ যে, তার জীবনে ঘটে গেছে ধর্ষণসহ নিষ্ঠুরতম সব অত্যাচারের ঘটনা। হতে হয়েছে যৌনদাসী। ধর্মের লেবাসধারী জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়েছে তাকে। সেসব কিছুকে পেছনে ফেলে তারই মতো নিগৃহীত নারীদের অধিকার আদায়ে এগিয়ে গেছেন তিনি। তিনি নাদিয়া মুরাদ। তার সঙ্গে এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন কঙ্গোর চিকিৎসক ডেনিস মুকওয়েগে।

 

অর্থনীতিতে

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির মধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের মডেল এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন কীভাবে বাজার অর্থনীতির ভিতকে আরো সুসংহত করতে পারে, তার দিশা দেখিয়ে চলতি বছরের অর্থনীতির নোবেল জিতেছেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম ডি নরডাস ও পল এম রোমার। তাদের সম্পর্কে নোবেল কমিটি বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনকে দীর্ঘমেয়াদে সামষ্টিক অর্থনীতির সঙ্গে একীভূত করে বিশ্লেষণের স্বীকৃতি হিসেবে উইলিয়াম ডি নরডাসকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সামষ্টিক অর্থনীতি এবং জলবায়ুর মধ্যে পারস্পরিক প্রভাবের একটি সংখ্যাত্মক মডেল দাঁড় করিয়েছেন। পল এম রোমারকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে দীর্ঘমেয়াদে সামষ্টিক অর্থনীতির সঙ্গে একীভূত করে বিশ্লেষণের স্বীকৃতি হিসেবে। নোবেল কমিটি বলেছে, উইলিয়াম ডি নরডাস ও পল এম রোমার দুজনের মডেলই টেকসই অর্থনীতির ভিতকে আরো মজবুত করতে প্রতিটি দেশের সরকারকে জলবায়ু পরিবর্তন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারের নীতিগত পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।

 

সাহিত্যে

এক জুরির স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি এবারের সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার স্থগিত করেছে। যেটা গত ৭৯ বছরের মধ্যে প্রথম ঘটনা। তবে ২০১৯ সালে এ খাতে দুই বছরের নোবেল একসঙ্গে দেওয়া হবে।

 

Spread the love




সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ