[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

ডিমকথন
প্রকাশ: 24 November, 2018, 11:06 am |
অনলাইন সংস্করণ

ডিমকথন

বিধান চন্দ্র সাহা।।
#হাসের_ডিম_নাকি_মুরগির!#ফার্মের_নাকি_দেশী!#সিদ্ধ_ডিম_নাকি_ভাজা
ডিম আমাদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে। বিশেষ করে ব্যাচেলর ছাত্রজীবন তো ডিম ছাড়া কল্পনাতীত । কিন্তু এই ডিমের পুষ্টিমান নিয়ে সংশয় না থাকলেও আমরা সংশয়ে পড়ে যাই কোন প্রকার ডিমে পুষ্টি কম বা বেশি এই প্রশ্ন নিয়ে । হাসের ডিম বেশি উপকারী নাকি মুরগীর আবার ফার্মের ডিম স্বাস্থ্যসম্মত নাকি দেশি ডিমই উত্তম । আজ আমরা এই প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করব ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটউটের বিজ্ঞানীগন, ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযোগী হাস ও মুরগির ডিমের পুষ্টিমান নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করেছেনঃ

খাদ্যপাদান হাসের ডিম মুরগির ডিম
জলীয় অংশ (গ্রাম) ৭১ ৭৩.৭
মোট খনিজ পদার্থ (গ্রাম) ১.০ ১.০
খাদ্য শক্তি (কিলোক্যালরি) ১৮১ ১৭৩
প্রোটিন (গ্রাম) ১৩.৫ ১৩.৩
চর্বি (গ্রাম) ১৩.৭ ১৩.৩
ক্যালসিয়াম (মিগ্রা) ৭০ ৬০
আয়রন (মিগ্রা) ০৩ ২.১
ভিটামিন এ(মাইক্রোগ্রাম) ২৬৯ ২৯৯
ভিটামিন বি-১ (মিগ্রা) ০.১২ ০.১
ভিটামিন বি-২ (মিগ্রা) ০.২৬ ০.৪

এই ছক থেকে অন্তত এটা স্পষ্ট যে , হাসের ডিমের পুষ্টিমান বেশি কিন্তু ভিটামিন এর মান মুরগির ডিমে বেশি । উভয় ডিমের হলুদ অংশে ১৭% এবং সাদা অংশে ১১% প্রোটিন থাকে । হলুদ অংশে চর্বি থাকে ৩৩% কিন্তু সাদা অংশে চর্বি থাকে না । তাই যারা স্থূল দেহের অধিকারী তাদের জন্য ডিমের হলুদ অংশ পরিহার করাই শ্রেয় । ১টি ডিম ১ গ্লাস গরুর দুধের সমপরিমাণ শক্তিদায়ক । ফার্মের মুরগি সঠিক ব্যবস্থাপনায় পালন করা হলে, সেই মুরগিকে সুষম পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ানো হয় ফলে ডিমও অধিকতর পুষ্টিকর হয় । সুষম খাদ্যে সকল খাদ্য উপাদান থাকে ফলে উন্নত ফার্মের ডিমে সকল পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে । তবে ফার্মে যদি মুরগিকে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্য খাওয়ানো হয় তাহলে ডিমের পুষ্টিমানও কম হয় । এক্ষেত্রে দেশি মুরগির ডিম ফার্মের ডিমের থেকে পুষ্টিমানে কিছুটা পিছিয়ে থাকে । ডিম সিদ্ধ করে খাওয়া হলে তার পুষ্টিমান অটুট থাকে কিন্তু যখন তেলে ভাজা হয় বা ভুনা করা হয় তখন ডিমের পুষ্টিমান কিছুটা হ্রাস পায় এবং অতিরিক্তভাবে তেল যোগ হওয়ার ফলে কোলেস্টরল বৃদ্ধির সম্ভবনা থাকে । তাই যাদের হার্ট এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে সিদ্ধ ডিমের সাদা অংশ উপযোগী হলেও হলুদ অংশ এবং ভাজা বা ভুনা ডিম ক্ষতির কারণ হতে পারে ।
ডিম হচ্ছে প্রাণীজ প্রোটিনের বড় একটি উৎস। ডিমের প্রোটিন টারসিয়ারি ধরনের প্রোটিন। এটা তাপে কঠিন অবস্থা ধারন করে এবং কোন ভাবেই এটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। সিদ্ধ ডিম প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করে। এজন্য প্রচন্ড গরমে সিদ্ধ ডিম না খাওয়াই ভাল। কিন্তু কনকনে শীতে একটা গরম গরম সিদ্ধ ডিম শরীর গরম করতে অত্যন্ত কার্যকরী।

Spread the love




সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ