[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

টাঙ্গাইলের ট্রেন স্কুল..
প্রকাশ: 13 November, 2018, 12:37 pm |
অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের ট্রেন স্কুল..

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি।।

‘ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে, ট্রেনের বাড়ি কই?’ কবি শামসুর রাহমানের কবিতার মতোই ট্রেন থেকে নামছে যাত্রীরা। কিন্তু এ যাত্রী সে যাত্রী নয়, আর এ ভ্রমণও সে ভ্রমণ নয়। এই ভ্রমণের যাত্রীদের গন্তব্য আলোর পথে। এরাই একদিন হবে আলোর দিশারি। বই, খাতা ও কলম হাতে দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা যাদের। ঠিক ট্রেনের আদলে রঙ করা হয়েছে তাদের বিদ্যালয়। এর ফলে প্রাথমিক এ বিদ্যালয়টি জেলায় এখন ‘ট্রেন স্কুল’ নামে পরিচিত।

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যেন চলন্ত ট্রেন। এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারেকুল ইসলাম নিজ হাতে রেলগাড়ির মতো নকশা করেছেন বিদ্যালয়ের দেয়ালে। এ কর্মযজ্ঞে সহযোগিতা করেছেন বিদ্যালয়ের পিয়ন শাহিন আলম। স্লিপ অনুদানের টাকায় বিদ্যালয়টিতে করা হয়েছে এমন শৈল্পিক আয়োজন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মধুপুর উপজেলার দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ এলাকাবাসী জানায়, ট্রেনের মতো সাজানোয় বিদ্যালয়টি উপজেলাসহ জেলাজুড়ে সাড়া জাগিয়েছে। নজর কেড়েছে সবার। অনেকেই দিগরবাইদে আসছেন বিদ্যালয়টি দেখতে। বিদ্যালয়টি দেখে মুগ্ধ হয়েও ফিরছেন তারা।

বিদ্যালয়ে আগত দর্শনার্থী ফরিদা ইয়াসমিন ও আবদুস ছালাম জানান, বিদ্যালয়টি দেখে খুবই ভালো লেগেছে, মুগ্ধও হয়েছি। এ ধরনের উদ্যোগ মনোযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও মনে করেন তারা।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মোখছিদুল আলম রাফি বলে, ট্রেন স্কুলে পড়ার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। এ ছাড়াও আমাদের বিদ্যালয়টি দেখতে মানুষ এখানে আসছেন এটা ভেবেও গর্ববোধ করি আমরা।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোকসানা খাতুন ও উম্মে সালমা জানান, আমাদের প্রধান শিক্ষক অত্যন্ত পরিশ্রমী ও মেধাবী। তারই পরিশ্রম আর মেধায় এখন দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দর্শনীয় ট্রেন স্কুল হয়ে উঠেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারেকুল ইসলাম জানান, কবি শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা ‘ট্রেন’র বাস্তব চিত্র শিক্ষার্থীদের বোঝানোর জন্যই আমি বিদ্যালয়টি ট্রেনের মতো করে রঙ করেছি। শিক্ষার্থীরা যাতে মজা পেয়ে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে পারে সেই চিন্তা থেকেই বিদ্যালয়টি ট্রেনের মতো আকর্ষণীয় রূপে সাজানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা বিভাগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।

এ প্রসঙ্গে মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএইচএম রেজাউল করিম জানান, ‘আমাদের বিদ্যালয় আমরা গড়ব’ স্লোগানে প্রতিটি বিদ্যালয় আকর্ষণীয় রূপে সাজাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ স্লোগানেরই অংশ হিসেবে দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি রঙ করে ট্রেনের আদলে আনা হয়েছে। বিদ্যালয়ের এ পরিবর্তন ইতোমধ্যেই জেলা ও উপজেলাবাসীর নজর কেড়েছে।

সূত্র-বাংলাদেশের খবর

Spread the love




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ