[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

গম গাছে বধ হবে দুরারোগ্য থ্যালাসেমিয়া !!!
প্রকাশ: 6 December, 2018, 11:46 am |
অনলাইন সংস্করণ

গম গাছে বধ হবে দুরারোগ্য থ্যালাসেমিয়া !!!

বিধান চন্দ্র সাহা।।
থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia) রক্তের একটি রোগ যা সাধারনত বংশগতভাবে ছড়ায়। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতি কম থাকে। থ্যালাসেমিয়া মৃদু এবং তীব্র দুরকমের হতে পারে। প্রতিবছর পৃথিবীতে প্রায় ১ লক্ষ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেনস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগে ভুগে থাকেন। মৃদু থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে, অনেক সময় চিকিৎসার তেমন প্রয়োজন হয় না। অপরদিকে তীব্র থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগীকে নিয়মিত রক্ত দিতে হয়।
থ্যালাসামিয়া রোগের কোন চিকিৎসা নেই। কিছুদিন পরপর রক্ত পরিবর্তন করে কিছুটা সুস্থ থাকা যায় । সম্প্রতি কলকাতার কয়েকজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী গবেষণা করে বের করেছেন, গম পাতার রস থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিকারে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে । একজন বাংলাদেশীসহ কয়েকজন ভারতীয় থ্যালাসেমিয়া রোগীর উপর এক বছর পরীক্ষা করে এ তথ্য দিয়েছেন । নেতাজী সুভাষ ক্যান্সার রিসার্চ ইনস্টিটিউট, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটাল ও দি সেন্ট্রাল আয়ুর্বেদিক ড্রাগ ল্যাবরেটরির একদল চিকিৎসক এ দাবি করেন। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর রক্তের লোহিত কণিকা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় ফলে কিছুদিন পর পর বাহ্যিক উৎস হতে রক্ত দিতে হয়। চিকিৎসকরা গবেষণা করে দেখেছেন যে, গম গাছ থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আহরিত রস লোহিত কণিকার বেঁচে থাকার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় । থ্যালাসামিয়া রোগীদের গম গাছের রস খাওয়ালে ঘন ঘন রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হয় না । এই গবেষণা রিপোর্টটি আমেরিকান জার্নাল অফ হায়মেটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে ।
এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে রোগীর দেহে রক্ত দেয়ার মত অবস্থা হয়নি এবং যারা মাঝামাঝি আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। গবেষকরা দেখেছেন, কচি গম গাছে অক্সালিক এসিড ও ম্যালিক এসিড থাকে, এ দুটি উপাদান লোহিত কণিকায় আয়রণ সরবরাহ করে । এতে লোহিত কণিকার ক্ষয়রোধ হয় । লোহিত কণিকার স্বাভাবিক আয়ু ১২০ দিন হলেও থ্যালাসেমিয়া রোগীর দেহে তা ৫০দিনের বেশি বাঁচে না । থ্যালাসেমিয়া রোগীকে গমের রস খাওয়ালে লোহিত কণিকার আয়ু ৩০-৩৫ দিন পর্যন্ত বেড়ে যায়। এটা অগ্নাশয়ের আয়রণ নিঃসারণও রোধ করে ।
চিকিৎসক দলের সদস্য ড. অনীশ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, গমের চারা গজানোর ৭-৮ দিন পরই চারাগাছ বেটে রস খাওয়ালেই মাঝারী মাত্রার রোগীরা সুফল পাবেন । তবে, এই চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আরও উচ্চতর পর্যায়ে গবেষণা চলছে ।

Spread the love




সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ