[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

কলাপাড়ায় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার আগেই ঝরে পড়েছে ৬৫৩ শিক্ষার্থী
প্রকাশ: 1 November, 2018, 12:04 pm |
অনলাইন সংস্করণ

কলাপাড়ায় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার আগেই ঝরে পড়েছে  ৬৫৩ শিক্ষার্থী

কলাপাড়া নিউজ।।

কলাপাড়ার ধুলাসার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভর্তির হিসেবে অষ্টম শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ছিল ১৩০ জন। জেএসসি পরীক্ষা পর্যন্ত পৌছতে নেই ২৯ জন। হাজী আব্দুস সোবাহান একাডেমীতে ভর্তি ছিল ৮৮ জন। নেই ৪২ জন।
একইভাবে ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেই ২৬ জন। বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেই ২৫ জন। ডালবুগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেই ১৬ জন। মহিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেই ২২ জন। পাঁচজুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নেই ১৩জন। এভাবে কলাপাড়ার ৩৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩২ টির হিসেবে শুধুমাত্র অষ্টম উত্তীর্ণের আগেই ঝরে গেল ৩২৮ শিক্ষার্থী। যার মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ ছাত্রী।

একই দশা মাদ্রাসার। মোয়াজ্জেমপুর সিনিয়র মাদ্রাসায় বছরের প্রথমে অষ্টমে ভর্তি ছিল ৮৪ জন। এখন জেডিসিতে পরীক্ষার শুরু পর্যন্ত নেই ১৮ জন। ইয়াকুব আলী তালুকদার সিনিয়র মাদ্রাসায় নেই ৩০ জন। ইউসুফপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় নেই ২৫ জন। উমিদপুর দাখিল মাদ্রাসায় নেই ২২ জন। দৌলতপুর মাদ্রাসায় নেই ২২ জন। এভাবে ২৭টি মাদ্রাসার ২৫টিতে ঝরে গেছে ৩২৫জন। ঝরে পড়ার হার উদ্বেগজনক। গড়ে অষ্টম শ্রেণী পার না হতেই গড়ে ১৫- ২০ ভাগ শিক্ষার্থী ঝরে গেল।

এছাড়া জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অনুপস্থিতির সংখ্যা পাওয়া গেলে ঝরে পড়ার হার আরও বাড়বে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দাবি মেয়েরা ঝরে পড়ার কারণ দুইটি। বাল্য-বিয়ে এবং দারিদ্র্য। আর শুধুমাত্র দারিদ্র্যতায় ঝরে পড়ছে ছেলে শিক্ষার্থী। কলাপাড়ায় মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের যথাযথ তদারকির অভাব এবং শিক্ষকদের উদাসীনতাও অনেকাংশে দায়ী ঝরে পড়ার কারন।

অভিভাবকদের অভিযোগ প্রাইভেট ছাড়া কোন লেখাপড়া নেই। ক্লাশে লেখাপড়ার বেহাল দশা। স্কুলের ক্লাশ চলাকালীন লেখাপড়ার হাল ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবার শিক্ষার্থীর নাম খাতাপত্রে রয়েছে কিন্তু দৃশ্যমান নেই।

ভর্তির হিসেব ৩৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টমের শিক্ষার্থী ছিল ৩০৩৮ জন। জেএসসি পরীক্ষার আগেই ঝরে গেছে ৩২৮ জন। ক্যাজুয়াল মিলে সর্বোচ্চ পরীক্ষার্থী রয়েছে ২৭৯৯ জন। একইভাবে ভর্তির হিসেবে ২৭টি মাদ্রাসার অষ্টমের শিক্ষার্থী ছিল ১৬৩৫ জন। পরীক্ষার আগেই নেই ৩২৫ জন। প্রায় ২০ ভাগ ঝরে গেল। প্রকৃত তথ্য আরও বেশি। এভাবে মাদ্রাসা এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণের আগেই কলাপাড়ায় ঝরে গেছে ৬৫৩ শিক্ষার্থী।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মনিরুজ্জামান খান জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক তদন্ত করে অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তানভীর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।
নিউজ-মেজবাহউদ্দিন মাননু

Spread the love




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ