[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

কলাপাড়ায় জমি কিনতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে আসমা বেগম
প্রকাশ: 13 January, 2019, 12:09 pm |
অনলাইন সংস্করণ

কলাপাড়ায় জমি কিনতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে আসমা বেগম

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ।।

বসত বাড়ি নির্মানের জন্য ক্রয় করার লক্ষ্যে বায়না চুক্তি পত্র করেও জমি না পেয়ে উল্টো উচ্ছেদ হওয়ায় সাংবাদিক সম্মেলন করেছে মোসাঃ আসমা বেগম।

রবিবার সকালে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানায়, আমার নামে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নের বাদুলতলী গ্রামে ০৭ নং জে,এল এর ১২১, ১১২, ১১১, ১১৩, ১১৪, ১১৫ নং দাগে ২১ শতাংশ জমি দুই লক্ষ ৬০ হাজার টকায় ক্রয় করি মোসাঃ জাকিয়া হাবিব এর নিকট হতে। কিন্তু বাদুরতলী মৌজায় জমি বিক্রির বন্ধ থাকায় তখন তিনি আমায় জমি দলিল রেজিস্ট্রি করে দিতে পারেনি।

কিন্তু পরবর্তীতে মোসাঃ জাকিয়া হাবিব এর ভাই মো. শামিম বিশ্বাস এর মাধ্যমে উক্ত জমির দখল বুঝাইয়া দেয় এবং আমার স্বামী মো. শহিদুল ইসলামের নামে একটি হাতবায়না পত্র চুক্তিপত্র করি। এরপর সেখানে বাড়ি-ঘর তুলে, গাছপালা রোপন এবং পুকুর খনন করে বিগত সাত বছর ভোগদখল করে আসাছি।

এখন জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমায় উক্ত জমির দলিল না দিয়ে আমাকে জমি থেকে উচ্ছেদ করে দিচ্ছে। এব্যাপারে টিয়াখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মীর মশিউর রহমান এবং মোসাঃ জাকিয়া হাবিব এর মামাতো ভাই লালুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস সালিস করে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন যে, ভিটামাটি, গাছপালা ও পুকুর খনন বাবদ এক লাখ টাকা এবং আগের দেওয়া দুই লাক ৬০ হাজার মোট তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা আমাকে পরিশোধ করার জন্য। কিন্তু আমার টাকা না দিয়ে উক্ত জমি থেকে উচ্ছেদ করে দিচ্ছে। এতে পুলিশ ও সাংবাদিকদের একটি মহল সহায়তা করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

গামেন্টস কর্মী হয়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে জমি ক্রয়ের পরিবর্তে এখন হামলা ও উচ্ছেদের শিকার হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে এবং জীবন ও সম্পদ রক্ষার জন্য প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে মোসাঃ জাকিয়া হাবিবের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, ওই জমির মালিক মরহুম ডাঃ মো. হাবিবুল্লাহ। তার অবর্তমানে জমির মালিক স্ত্রী, পুত্র,কন্যাগণ। কিন্তু জমির মালিকানা দাবি কারক মোসাঃ আসমা বেগমের কাছে ওই জমির মালিকানা এবং রেজিস্ট্রেশনকৃত কোন চুক্তিপত্র নেই। যার মাধ্যমে সে জমির মালিকানা দাবি করতে পারে।

একটি হাত বায়না চুক্তি করেছেন মোসাঃ জাকিয়া হাবিব এর ছোট ভাই মো. শামীম বিশ্বারের সঙ্গে। তিনি এই জমির কোন ওয়ারিশ না এবং মালিক না। তাকে ভুল বুঝিয়ে তার কাছ থেকে একটি লিখিত নিয়ে আসমা বেগম জমির মালিকানা দাবি করে আসছেন।

Spread the love




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ