[bangla_day] [english_date] [bangla_date]
ই-পেপার   [bangla_day] [english_date]

কলাপাড়ার সাপুড়িয়া খালের আয়রন সেতু এখন হাজারো মানুষের কাছে আতংকের
প্রকাশ: 21 October, 2018, 12:08 pm |
অনলাইন সংস্করণ

কলাপাড়ার সাপুড়িয়া খালের আয়রন সেতু এখন হাজারো মানুষের কাছে আতংকের

মিলন কর্মকার রাজু।।
সাপের মতো বাঁকা হয়ে একদিকে হেলে পড়েছে। ভেঙ্গে পড়ছে সিমেন্টের ¯øাব। লোহার ভীম,হাতলগুলো মরিচা ধরে বাঁকা হয়ে ভেঙ্গে পড়েছে। ঢেউ খেলানো এই আয়রন সেতু দিয়ে প্রতিদিন পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাত শতাধিক শিক্ষার্থীসহ পাঁচ সহ¯্রাধিক মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার জয়বাংলা বাজার সংলগ্ন সাপুড়িয়া খালের উপর এ সেতুর ভাঙ্গা ¯øাবের উপর দিয়ে চলতে গিয়ে প্রায়ই স্কুল শিক্ষার্থী ও এলাকার মানুষ খালে পড়ে আহত হলেও সেতুটি সংস্কারে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।
মাদরাসা থেকে বাসায় ফেরার পথে সেতু থেকে খালে পড়ে আহত হয়েছে মিঠাগঞ্জ কেরাতুল কোরান মাদরাসার ছাত্রী নাইমা। একই সেতু দিয়ে বাবার হাত ধরে যাওয়ার পথে খালে পড়ে আহত হয়েছে পাঁচ বছরের রিফাত। তাদের দু’জনেরই হাত,পা কেটে গেছে। স্থানীয় দ্রæত তাদের খাল থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় এই দুই শিশু বেঁচে গেছে। এদের মতো প্রতিদিনই আহত হচ্ছে স্থানীয়রা এ তথ্য জানালেন জয়বাংলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক।
প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মিত এ আয়রন সেতু পেরিয়ে প্রতিদিন মিঠাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব মধুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আরামগঞ্জ দাখিল মাদরাসা, পূর্ব মধুখালী সালেহিয়া দাখিল মাদরাসা, আলীগঞ্জ দাখিল মাদরাসা, আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। এছাড়া মিঠাগঞ্জ ও আলীগঞ্জ গ্রামের কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদেরও এ সেতু পার হয়ে আসা যাওয়া করতে হয়। এ সেতুর পাশেই জয়বাংলা বাজারে। এ বাজারে শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল পরিবহন ও মালামাল ক্রয়-বিক্রয় করতে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে। কিন্তু গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেতুটির এ বেহাল অবস্থা।
স্কুল ছাত্রী ফারিয়া জাহান মুন, সুমাইয়া ইসলাম তানহা, সাদিয়া ইসলাম তানজিলা মিঠাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তারা জানায়, ওই সেতুর ওপার দিয়া যারা স্কুলে আসে সবাই বাব-মা কিংবা অভিভাবকদের সাথে । প্রায়ই দূর্ঘটনা ঘটায় কোন শিক্ষার্থীকেই একা ছাড়তে চায়না অভিভাবকরা।
আলীগঞ্জ গ্রামের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম, সুমন, মানসুরা, নাইম জানায়, সেতুর উপর উঠলেই ভয় করে। দোলনার মতো দোলে। একদিকে কাঁত হয়ে থাকায় এবং সেতুর ¯øাবগুলো ভেঙ্গে পড়ায় হাটতে ভয় করে। এ কারনে বাবা-মা সাথে না আসলে স্কুল-মাদরাসায় যাওয়া হয় না।
মিঠাগঞ্জ গ্রামের জহিরুল ইসলাম ও মো. কাওষার হোসেন বলেন, এ ভাঙ্গা ঢেউ খেলানো সেতুর কারণে সন্তানদের একা ছাড়তে ভয় করে। প্রায়দিনই সংবাদ পান সেতু দিয়ে কখনও মোটরসাইকেল,কখনও মানুষ পড়ে গেছে। এছাড়া জরুরী প্রয়োজনে বাজারে আসা-যাওয়া করতেও ভয় হয।
মিঠাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক প্রবীর চন্দ্র দাস জানান, বিদ্যালয়ে ৯৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেক আলীগঞ্জ গ্রামের। ওই ভাঙ্গা সেতুর কারনে প্রতিদিনই স্কুলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম হয়। বর্ষা মেীসুমে তো ভয়তে কেউ আসতেই চায় না।
মিঠাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান কাজী হেমায়েত উদ্দিন হিরন বলেন, সেতুটি গত বছর কিছুটা মেরামত করা হয়েছিলো। সেতুটি মেরামত বা পুনঃনির্মান না হবে এতে দূর্ভোগে পোহাতে হবে এলাকাবাসীর। নতুন সেতু নির্মানের জন্য প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

Spread the love




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদসমূহ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদকঃ দেলওয়ার হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু
বার্তা সম্পাদকঃ
 
মোবাইল- 01711102472
 
Design & Developed by
  কলাপাড়ায় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপর হামলা,অর্ধশত গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা।।   “পায়রা বন্দরের মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে আমরা পরিবহন সেবা দিতে চাই” নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী   পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মঙ্গলবার ৪টি আনলোডার মেশিন যুক্ত হয়েছে।। ৬৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন   ঘুরে দাঁড়িয়েছে বন্দর   কলাপাড়ায় জমি অধিগ্রহন না করার দাবিতে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন   ‘পায়রা সমুদ্র বন্দর বানিজ্য সম্ভাবনার নতুন দরজা”-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের শ্লোগান   পায়রা বন্দরে ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে ২২ হাজার কোটির টাকার মধ্য মেয়াদী প্রকল্প   নতুন পায়রা সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ